অপকর্মের অভিযোগে জামায়াত নেতা বহিষ্কার

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় অপকর্মের অভিযোগে কুয়াকাটা পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি মো. আ. হালিমকে বহিষ্কার করা হয়েছে। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বহিষ্কারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুয়াকাটা পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা মো. শহীদুল ইসলাম।

বহিষ্কৃত নেতা হলেন আ. হালিম। তিনি উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নের মুসুল্লীয়াবাদ গ্রামের বাসিন্দা।

কুয়াকাটা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর নেতারা বলেন, ‘কুয়াকাটায় পতিতাবৃত্তি বেড়ে চলছে। আমরা এর বিরুদ্ধে সর্বদা সোচ্চার। সার্বক্ষণিকভাবে এমন কাজের প্রতিবাদ এবং এমন কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রচারণা চালিয়ে আসছি। তবে আমাদের সংগঠনের এক নেতার বিরুদ্ধে এমন কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকা অভিযোগ উঠলে আমরা প্রাথমিকভাবে তদন্ত করি এবং তাকে বিভিন্নভাবে সতর্ক করি। তিনি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এমন ঘৃর্ণিত কাজ থেকে ফিরে না আসায় আমরা সাংগঠনিক মিটিং শেষে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছি।’

সংবাদ সম্মেলনে কুয়াকাটা পৌর জামায়াতে ইসলামীর আমির মো. শহিদুল ইসলাম, কুয়াকাটা পৌর সভার সাবেক আমির মাওলানা মাঈনুল ইসলাম মান্নান, লতাচাপলী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মো. রাসেল মুসল্লী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জামায়াতে ইসলামী কুয়াকাটা পৌরসভার আমির মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, সংগঠনের নীতিমালা ও আদর্শবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কুয়াকাটা পৌরসভার সাবেক আমির মো. মাঈনুল ইসলাম মান্নান জানান, ‘এমন অপকর্মের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ এবং এর প্রমাণ পাওয়ায় তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমাদের দল থেকে এ ধরনের লোকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি ‘

এ বিষয়ে মো. আ. হালিম বলেন, ‘আমার বাসায় ৬টি ফ্যামিলি বাসা ভাড়া নিয়ে থাকে। তার মধ্যে একটিতে মা-মেয়ে পরিচয়ে চার নারী গত দুই মাস আগে বাসা ভাড়া নেয়। এখন তারা কোথায়, কি কাজ করে সেটা আমার জানার বিষয় না। আমাকে কিছু না বলেই জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আমি মনে করি, বিষয়টি নিয়ে আমার সঙ্গে কথা বলে তারপর এর সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিৎ ছিল। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই। আমি এ ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করব।’