রোববার (২৮ ডিসেম্বর) আট দলের পক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য জানান জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। একই দিনে এনসিপির পক্ষ থেকে জোটে যোগদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন দলটির যুগ্ম মুখপাত্র আরিফুর রহমান তুহিন।
তিনি বলেন, তিনটি লক্ষ্য সামনে রেখেই এনসিপি এই জোটে যুক্ত হয়েছে। লক্ষ্যগুলো হলো—পূর্ণাঙ্গ সংস্কার বাস্তবায়ন, অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করা এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম অব্যাহত রাখা।
আরিফুর রহমান তুহিন আরও বলেন, এসব বৃহত্তর লক্ষ্য অর্জনে আগামী দিনে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাবে এনসিপি।
এদিন জোট ঘোষণার সংবাদ সম্মেলনে আটটি দলের শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি এলডিপি সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। তবে বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, এনসিপির কোনো নেতা ওই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন না।
এ বিষয়ে জামায়াতের আমির বলেন, জোট ঘোষণার আগে এনসিপির সঙ্গে বৈঠক হয়েছে এবং সেখানেই নির্বাচনী সমঝোতায় পৌঁছানো হয়। তিনি জানান, এটি একটি শক্তিশালী নির্বাচনী সমঝোতা।
এদিকে জামায়াতের সঙ্গে জোটে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে এনসিপির ভেতরে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। গত দুই দিনে দলটির শীর্ষ দুই নেতা তাসনিম জারা ও তাসনূভা জাবীন পদত্যাগ করেছেন। পাশাপাশি আরও অন্তত ৩০ জন নেতা এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন বলে জানা গেছে।





















Leave a Reply