এক সপ্তাহ ধরে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থেকে অবশেষে না ফেরার দেশে চলে গেলেন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক, দেশপ্রেমিক ও লড়াকু যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদি। বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে দৈনিক প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় পত্রিকা দুটির সম্পাদকদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার এক বার্তায় এ
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির লাশ সিঙ্গাপুর থেকে দেশের উদ্দেশ্যে রওনার সকল প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬ টা ৫ মিনিটে হাদির লাশ সিঙ্গাপুর থেকে দেশে পৌঁছাবে।
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির জন্য দোয়া চাইলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। বিজ্ঞাপন বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা বলেন। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
রাজধানীর পল্টনে মাথায় গুলিবিদ্ধ ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থা এখনো পুরোপুরি স্থিতিশীল হয়ে ওঠেনি। বর্তমানে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন এই নেতার শরীর অস্ত্রোপচারের জন্য উপযুক্ত হলে তবেই পরবর্তী পদক্ষেপ
সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র এবং জুলাই অভ্যুত্থানের যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থা এখনো অত্যন্ত সংকটজনক এবং স্থিতিশীল পর্যায়ে রয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় হাদির চিকিৎসায় সরাসরি যুক্ত ঢাকা
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, দেশে সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই। কোনো প্রার্থী যদি ব্যক্তিগতভাবে নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করেন, তবে সেটি তার একান্ত নিজস্ব
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পাশাপাশি
ভোরের নিস্তব্ধতা কিংবা গভীর রাতের অন্ধকারে রাজধানী ঢাকার রাস্তায় ঘুরছে যেন মৃত্যুর বাহন। ঢাকা দক্ষিণ এবং উত্তর সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়িগুলো যেন মৃত্যুদূত হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে নগরবাসীর জীবনে। কখনো ডেমরা,
ভারতে অবস্থানরত জুলাই গণহত্যার পর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে এবং ভারতীয় প্রক্সি, রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম ও সরকারি কর্মকর্তাদের অব্যাহত ষড়যন্ত্রের অভিযোগে