খতিব আব্দুল জব্বার বলেন, নির্বাচনে আমি শাপলা কলির পক্ষে কাজ করায় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাকিম ফোন করে মসজিদে যেতে নিষেধ করেছেন। আমি মসজিদের সবার কাছে বিদায় নিয়ে আসতে চাইলেও তারা সুযোগ দেননি।
আব্দুল হাকিম বলেন, খতিব রাজনৈতিক বক্তব্য দেন। মিলাদ মাহফিলে যাওয়ার আগে জেনে নেন আয়োজক কোন দলের। আওয়ামী লীগ করলে যান না। এই কারণে তাঁকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
মসজিদ কমিটির সভাপতি আব্দুল হালিম বলেন, রমজান মাসের পর খতিবকে বাদ দেওয়া হবে।
কামাত কাজলদিঘি ইউপি চেয়ারম্যান তোফায়েল প্রধান বলেন, ভোট করায় খতিবকে সরিয়ে দেওয়াটা অন্যায়। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
Leave a Reply