সংবাদ সম্মেলনে ডা. শফিকুর রহমান জানান, আগে থেকে জোটে থাকা আটটি দলের সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হয়েছে লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি) ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
তিনি বলেন, “এলডিপি নেতা ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম ও এনসিপি আমাদের এই ঐক্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছেন। আসন সমঝোতার কাজও প্রায় চূড়ান্ত। সামান্য কিছু বিষয়ে আলোচনা চলছে, যা মনোনয়নপত্র দাখিলের পরপরই সমাধান হয়ে যাবে।”
নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, “নির্বাচনের জন্য এখনো কাঙ্ক্ষিত ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ বা সমতল মাঠ তৈরি হয়নি। মাঠ তৈরির দায়িত্ব সরকার ও নির্বাচন কমিশনের। আমরা চাই নির্ধারিত তারিখেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক, তবে তা অবশ্যই সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হতে হবে। যেকোনো ধরনের কারচুপি বা জনগণের ভোটাধিকার হরণের চেষ্টা এবার বরদাস্ত করা হবে না।”
জোটের প্রকৃতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, এটি কেবল নির্বাচনী জোট নয়, বরং দেশ গঠন ও জাতীয় সংকটে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। ছাত্র-জনতার বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা পূরণ এবং শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে এই জোট রাজপথে ও নির্বাচনে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে।
সংবাদ সম্মেলনে এলডিপি নেতা ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের, ইসলামী আন্দোলনের আশরাফ আলী আকন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা মামুনুল হকসহ জোটভুক্ত দলগুলোর শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।





















Leave a Reply