২০১৫ সালের নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগে ভোটের দিনই নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয় বিএনপি। সেই সঙ্গে রাজনীতি থেকে অবসরের ঘোষণা দেন মনজুর। তবে দলীয় কার্যালয় থেকে বেরিয়েই তিনি পুনরায় আওয়ামী লীগের বলয়ে ফিরে যান। এমনকি তার ভাতিজা দিদারুল আলমকে সীতাকুণ্ড আসনে আওয়ামী লীগের টিকিট পাইয়ে দেন। শেখ রাসেলের নামে একটি মিনি স্টেডিয়াম গড়ে তোলেন তিনি, যা সম্প্রতি ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা উদ্বোধন করেছিলেন। সরাসরি আওয়ামী লীগের কোনো পদে না থাকলেও বিভিন্ন কর্মসূচিতে শেখ হাসিনাকে ‘অলি-আউলিয়ার’ সঙ্গে তুলনা করে আলোচনায় আসেন মনজুর। ২০২৪ সালের নির্বাচনেও চট্টগ্রাম-১০ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন তিনি।
গত বৃহস্পতিবার কাট্টলী এলাকায় আসলাম চৌধুরীর পক্ষে এক নির্বাচনী সভার আয়োজন করেন মনজুর। এতে সীতাকুণ্ড ও মহানগর বিএনপির নেতারা অংশ নেন। তবে মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনজুর আলম (নামের মিল থাকলেও অন্য ব্যক্তি) জানান, ‘তিনি আমাদের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে তার জনপ্রিয়তা থাকায় আমরা সেটিকে কাজে লাগাচ্ছি। তবে এর মানে এই নয় যে, তিনি বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। ধানের শীষের পক্ষে কেউ ভোট চাইলে আমরা নিষেধ করতে পারি না, তবে তার দলে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা আপাতত নেই।’
এ বিষয়ে সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম বলেন, ‘রাজনীতিবিদের পাশাপাশি আমি একজন সমাজসেবক। ২০১৫ সালে রাজনীতি থেকে অবসরের ঘোষণা দেওয়ার পর আমি কখনো আওয়ামী লীগে যোগ দিইনি। বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা রয়েছে। সেই দায়বদ্ধতা থেকেই বিএনপিকে ক্ষমতায় আনার প্রয়োজনীয়তা বোধ করছি এবং প্রচারে নেমেছি। ম্যাডামের মৃত্যুর পর তার নামে তিনটি প্রতিষ্ঠান রেজিস্ট্রি করে দিয়েছি। এসব দেখে অনেকে অনেক কিছু ভাবছেন, কিন্তু মেয়র নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে এখনো কিছু ভাবিনি।’











Leave a Reply