বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কুমিল্লার দাউদকান্দির ষোলপাড়া এলাকার প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ জানানো হয়।
‘চলো একসাথে গড়ি বাংলাদেশ, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নারী বিভাগ। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা জেলা কর্মপরিষদ ও শূরা সদস্য বিলকিস আক্তার।
তিনি অভিযোগ করেন, গত কয়েকদিন ধরে দাউদকান্দি ও মেঘনার বিভিন্ন এলাকায় দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রচারণাকালে পরিকল্পিতভাবে নারীকর্মীদের ওপর হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। ৪ ফেব্রুয়ারি বিটেশ্বর ইউনিয়নের নৈয়ার গ্রামে হান্নান মেম্বারের নেতৃত্বে নারীকর্মীদের ওপর হামলা, ৩১ জানুয়ারি গৌরীপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামে মনির ও জয়নালের নেতৃত্বে প্রচারণায় বাধা ও আক্রমণ, মেঘনা উপজেলার বড়কান্দা ইউনিয়নে মাইকিং করে নারীদের ওপর হামলা এবং হিজাব ধরে টানাটানির মতো ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে।
এছাড়াও পদুয়া, সুন্দলপুর, পাঁচগাছিয়া ও জিংলাতুলী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে নারীকর্মীদের গালিগালাজ, শারীরিক লাঞ্ছনা ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়।
বিলকিস আক্তার বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচারণায় নেমে আমাদের নারীকর্মীরা আজ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। যেভাবে নারীদের হিজাব ও সম্মানের ওপর আঘাত করা হচ্ছে, তাতে ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে আমরা শঙ্কিত। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, কোনো বাধা বা রক্তচক্ষু দেখিয়ে আমাদের দমানো যাবে না।’
সংবাদ সম্মেলন থেকে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়, যেন অবিলম্বে এসব ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হয় এবং নির্বাচনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়। একইসাথে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে ‘ব্যালট বিপ্লবের’ মাধ্যমে সব অন্যায়ের জবাব দেয়ার জন্য ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান নারী নেত্রীরা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের নারী বিভাগের সেক্রেটারি ফাতেমা জাহান, পৌরসভা সেক্রেটারি শিরিন হক, সহ-সেক্রেটারি খোরশেদা আক্তার ও সাবেক সেক্রেটারি হাসিনা মমতাজ লাকি প্রমুখ।




















Leave a Reply