আজ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে সুজানগর উপজেলার মানিকহাট ইউনিয়নের রায়পুর মাঝপাড়া এবং আহমদপুরের সৈয়দপুরে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- উপজেলা জামায়াতের ওলামা বিভাগের সভাপতি হাফেজ মাওলানা রফিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি হাফেজ আমিনুল ইসলাম শিমুল, ওলামা বিভাগের পৌর সভাপতি মাওলানা ইনামুল হক, জামায়াতের মহিলা কর্মী মার্জিয়া খাতুন এবং ফিরোজা বেগম।
আহত ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মাওলানা রফিকুল ইসলামের বাড়িতে জামায়াতের নেতাকর্মীরা ভোটের প্রচারণা চালাতে গেলে সেখানে হুমায়ূন, সুমন, সেলিম, বন্দের মোল্লাসহ স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী প্রথমে মহিলা কর্মীদের বাধা দেন। এসময় তারা মহিলা কর্মীদের মারধর করলে পাশে থাকা পুরুষ কর্মীরা এগিয়ে যান। এসময় তাদেরকেও এলোপাথাড়ি মারধর করা হয়। এতে ১০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে ৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সুজানগর পৌর এলাকার চর সুজানগরের মহিলা কর্মীদের বাধা ও মারধরের অভিযোগ পাওয়া যায়। করা হয়। এছাড়া আহমদপুর ইউনিয়নের সৈয়দপুরে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের প্রচারণায় বাধা প্রদানেরও অভিযোগ পাওয়া যায়।
এসব ঘটনার প্রতিবাদে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবিতে দুপুরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জামায়াতে ইসলামীর মহিলা কর্মীরা। মিছিলটি ভবানিপুর পশ্চিম পাড়া থেকে শুরু হয়ে সুজানগর বাজার প্রদক্ষিণ করে আবার ভবানিপুর পশ্চিম পাড়ায় এসে শেষ হয়।
এ বিষয়ে পাবনা-২ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মীর রাশেদুজ্জামান জানান, আজকে সুজানগরে ৩টি ঘটনা জানতে পেরেছি এবং ইতোমধ্যেই স্বপ্রণোদিত ভাবেই আমরা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রেখেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পাবনা-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী সেলিম রেজা হাবিব বলেন, এগুলো কে করছে আমি নিজেই বুঝতে পারছি না। আমি ইউএনওকে (সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা) বলেছি যারা অভিযুক্ত তাদের বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা সেই ব্যবস্থা নিবে।



















Leave a Reply