জানা গেছে, আসরের নামাজ আদায়ের পর আমীর উদ্দিন গাজী মাদ্রাসার পুকুরে গোসল করতে নামে। একপর্যায়ে সে পানিতে তলিয়ে গেলে বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টার পর তাকে পানির নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার পরবর্তী নিকটস্থ হসপিটালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৩ সালেও একই মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী পুকুরে ডুবে মারা যায়। ওই ঘটনার পর পুকুরের গভীরতা কমানোর জন্য বালু ফেলা হয় এবং প্রায় দুই বছর পুকুরে গোসল নিষিদ্ধ রাখা হয়েছিল। তবে পুনরায় একই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটায় মাদ্রাসা প্রশাসনের দায়িত্বহীনতার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় অভিভাবকরা।
এ বিষয়ে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ড. হিফজুর রহমানের তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
মাদ্রাসার কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের ভিপি মঈনুল ইসলাম জানান, নিহত শিক্ষার্থীর পিতা মৃত তার মা ঘটনা শুনার পর শারীরিকভাবে ভেঙে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ ছাড়া ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত স্থানীয় তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।